প্যারোডিঃ আরাফাত হোসেন সৌরভ
১০০ তে ভাই, ৩২ হায়, পেয়েছিনু আমি বলে
শিক্ষক সব হয়ে একমত,রাখিলো আমায় ফেল এ
স্যার বলিলেন, "বুঝেছো স্টুডেন্ট,
এ মেসেজ যাবে মা’র ফোনে"
কহিলাম আমি রেজাল্ট খারাপ জানি
তাতে কোনো ক্ষোভ নাই
কোচিংয়ের রেজাল্ট বাসাতে মেসেজ
এ কেমন বিচার ভাই?
কহিলাম আমি বক্ষে জুড়িয়া পাণি
সজল চক্ষে, করুন রক্ষে,ছাত্রের আশাখানি
এমনি করে চলে যায় আমার দিন ষোল-সতের
একদিন মা তার ইনবক্স দেখতে বড়ই বাসনা করিল
স্কুলের শেষে, দগ্ধ দুপুরে, প্রবেশি নিজ ঘরে
সুমনের ফ্ল্যাট দক্ষিণে রেখে আন্টির ফ্ল্যাট বাঁয়ে
দরজা খুলিয়া ডাইনিং, ড্রইং, সব রুম রেখে পিছে
হাটিতে হাটিতে উপস্থিত হলাম নিজেরই রুমের কাছে
ঐ কালে হায়,যমদূত প্রায়, কোথা হতে এলো মাতা
ক্রোধিত সুরে,উচ্চ স্বরে কহিতে লাগিলো যা-তা!
কহিলাম আমি "শুধু তো নিরবে শুনেছি তোমার সব,
পরীক্ষাতে একটু খারাপ হলো, এতো তারই কলোরব?"
চিনিলোনা মোরে নিয়ে গেলো ধরে সাক্ষাৎ চোর যেন হাতে,
বাবা তখন উঠে চলে এলেন বসে ছিলেন কিছু তফাতে।
শুনে বিবরন, ক্রোধে তিনি কন, মারিয়া করিব খুন!
উনি যত বলে, ছোট ভাই বোন দলে, বলে তার শতগুণ
আমি বসে ভাবি, কুঁচকে ভ্রু আজি,এই ছিলো মোর ঘটে
করেছি না হয় কোচিং এ ফেল, ব্যর্থ কি জীবন তাতে?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন